as

Wednesday, January 27, 2016

শেয়ারবাজার উন্নয়নে কাজ করবে আইসিবি-বিএমবিএ

শেয়ারবাজার উন্নয়নে কাজ করবে আইসিবি-বিএমবিএ

JAN201628
ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) শেয়ারবাজার উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে। বিএমবিএ'র নবনির্বাচিত সভাপতি ছায়েদুর রহমানের নেতৃত্বে বুধবার আইসিবির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার-উজ-জামানের সঙ্গে আটজনের একটি প্রতিনিধি দল বৈঠক করে। বৈঠক বাজারের উন্নায়নে একসঙ্গে কীভাবে কাজ করা যায় এ বিষয়ে আলোচনা করেন।
এ বিষয়ে বিএমবিএ'র নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি ছায়েদুর রহমান জানান, বিএমবিএ'র নবনির্বাচিত হওয়ায় আইসিবির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করা হয়েছে। সাক্ষাতে উভয়পক্ষের মধ্যে শেয়ারবাজারের উন্নায়নে যৌথভাবে কাজ করার ঐকমত্য হয়।

 Source : আলোকিত বাংলাদেশ 

পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকার আন্তরিক

পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকার আন্তরিক

JAN201628
অর্থনৈতিক উন্নয়নে দেশের পুঁজিবাজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই পুঁজিবাজারের উন্নয়নে শুরু  থেকেই সরকার পাশে ছিল। ভবিষ্যতেও থাকবে। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকার পুরোপুরি আন্তরিক। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) এর নব নির্বাচিত কমিটির প্রতিনিধিরা সাক্ষাত্ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএমবিএর নব নির্বাচিত সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ, কোষাধ্যক্ষ খন্দকার কায়েস হাসান ও নির্বাহী সদস্য ড. মোশাররফ হোসাইন।
সৌজন্য সাক্ষাত্ শেষে মো. ছায়েদুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে আমরা বর্তমান বাজার পরিস্থিতি তুলে ধরেছি। আমরা পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। অর্থ উপদেষ্টা আমাদেরকে বলেছেন, বিষয়টি আমি শুনেছি, বিষয়টি নিয়ে সরকার আন্তরিক। এদিকে গতকাল বিএমবিএ নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার উজ-জামানের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাত্ করেছেন। এসময় বাজার পরিস্থিতি নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

Source : ইত্তেফাক

শক্তিশালী অবস্থানে বাংলাদেশের অর্থনীতি’

ডেস্ক রিপোর্টঃ আওয়ামী লীগ সরকারের সুদৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এ কারণে দেশের উন্নয়নের ৯০ শতাংশ এখন নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে দশম জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে সংরক্ষিত সংসদ সদস্য বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। খবর বিনিয়োগ বার্তার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সুদৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। দেশের উন্নয়নের ৯০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে। সম্প্রতি নিউইয়র্ক ভিত্তিক আর্থিক তথ্য প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির দেশ। বছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৬ শতাতা বিগত মেয়াদ থেকে বর্তমান পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন গৃহীত কর্মসূচিগুলো তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বিগত সাত অর্থ-বছরের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে সামষ্টিক অর্থনীতির প্রধান বিষয় মোট দেশজ আয় প্রবৃদ্ধি, রফতানি আয়, কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি হ্রাস এবং সামাজিক খাতের দারিদ্র্য নিরসন।
এছাড়াও রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী ও শিশু নিরাপত্তায় অগ্রগতি এবং খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে আমাদের সাফল্য অভূতপূর্ব। সংকটের জাল ছিন্ন করে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

DSE TODAY


http://dsebd.org/index.php

Friday, January 22, 2016

জিবাজার থেকে বিদ্যুত্ খাতে অর্থসংস্থান

জিবাজার থেকে বিদ্যুত্ খাতে অর্থসংস্থান

JAN201621
দেশের বড় অবকাঠামো বিশেষ করে বিদ্যুত্ খাতের প্রকল্পে দেশী-বিদেশী পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের  জোর পরিকল্পনা করছে সরকার। দাতা সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বাজারে শেয়ার ও বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। জ্বালানি ও বিদ্যুত্ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এজন্য আগামী এক দশকে প্রায় ১৭ বিলিয়ন এবং ২০৪০ সাল নাগাদ কমপক্ষে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।

মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুসারে, বিদ্যুত্ খাতের অধীন বিভিন্ন সরকারি কোম্পানি নিয়ে প্রথমে হোল্ডিং কোম্পানি করা হবে। এর পর দেশীয় শেয়ারবাজারে সে হোল্ডিং কোম্পানির শেয়ার ছেড়ে অর্থ সংগ্রহ করা হবে। পরবর্তীতে বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হোল্ডিং কোম্পানির পক্ষ থেকে বন্ড ইস্যু করা হবে। বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ধাপে ধাপে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করতে চায় মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে সিঙ্গাপুরের স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখছে বিদ্যুত্ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়। এতে সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারক মহলেরও সায় আছে। এছাড়া বিদ্যুত্ খাতের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট খাতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর পুঞ্জীভূত মুনাফাও ব্যবহার করা হতে পারে।

উন্নয়ন সহযোগীদের ওপর ঋণনির্ভরতা কমানো, অর্থায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে সঠিক সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন, দুর্নীতি কমানো এবং প্রকল্পের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়াতেই বিদ্যুত্ খাতের উন্নয়নে বিকল্প অর্থায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি রিসার্চ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও বিদ্যুত্ এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ কায় কাউস বণিক বার্তাকে বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এবং অপেক্ষাকৃত কম ব্যয়ে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্যই বিকল্প অর্থায়নের উত্স খোঁজা হচ্ছে। সরকারের বিদ্যমান পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন নতুন বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপন,  প্রয়োজনীয় সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন স্থাপন এবং পুরনোগুলো সংস্কারে আগামী ১০ বছরে অন্তত ১৪ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। এছাড়া ২০৪০ সাল নাগাদ প্রয়োজন প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার। এ বিপুল পরিমাণ অর্থ কেবল ঋণ থেকে পাওয়া যাবে না। আবার তা সরকারের একার পক্ষেও জোগান দেয়া সম্ভব নয়। এজন্য প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সক্ষমতা বাড়াতে চাইছি; যাতে একটি কোম্পানি নিজের অর্থে প্রকল্পের কাজ শুরু করা থেকে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারে।

সূত্র জানায়, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী সরকারের আগামী ১০ বছরে ৬ হাজার ২৫০ মেগাওয়াট উত্পাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ১০টি বৃহত্ বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপন এবং ১৩টি সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। এজন্য বৈদেশিক মুদ্রায় প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। এর একটি বড় অংশ বিদেশী স্টক এক্সচেঞ্জে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ার বিক্রি ও বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে সংগ্রহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার নিজেও ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ প্রদান করবে। আরো ৩ হাজার ৪০ মেগাওয়াটের চারটি বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা সমীক্ষা ও ধারণাগত পর্যায়ে রয়েছে। সেগুলোর আর্থিক চাহিদা এখনো নিরূপণ হয়নি।

বিদ্যমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানির অধীনে পটুয়াখালীতে কয়লাভিত্তিক ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পৃথক দুটি ইউনিটের একটি বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে ২ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা হবে। এ প্রকল্পে সরকার ৩২০ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে।

ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানির অধীনে ফেনীতে ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বায়ুবিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে ৩০ কোটি ডলার, ময়মনসিংহে কয়লাভিত্তিক ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে ৯২ কোটি ৬০ লাখ, কক্সবাজারে কয়লাভিত্তিক ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে ৬৫৮ কোটি ৪০ লাখ ও ফেনীতে ১০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির অধীনে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১০০  মেগাওয়াটের বায়ুবিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে ১৭ কোটি ডলার, পটুয়াখালীর পায়রায় আমদানিকৃত কয়লাভিত্তিক ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে ২০০ কোটি, দিনাজপুরের দীঘিপাড়ায় দেশে উত্তোলিত কয়লাভিত্তিক ১ হাজার মেগাওয়াটের বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে ১৭০ কোটি, রুরাল পাওয়ার কোম্পানির অধীনে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ৩৫০ মেগাওয়াটের বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে ৫২ কোটি ৫০ লাখ ও ময়মনসিংহে ৩৬০ মেগাওয়াটের বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে ৩৬ কোটি ডলার সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীনে ১৩টি সঞ্চালন লাইন স্থাপনে বৈদেশিক মুদ্রায় ১৫৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার সংগ্রহ করা হবে। এসব প্রকল্পে সরকার ৫ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
বিপিডিবি-আরপিসিএল পাওয়ারজোন কোম্পানির অধীন বিদ্যুেকন্দ্রে গ্যাস সঞ্চালন লাইন স্থাপনে সরকার ৫০০ কোটি টাকা দেবে। ডেসকোর অধীনে ২০১৮ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে সাতটি নতুন সঞ্চালন প্রকল্প বাস্তবায়নে ৪ হাজার ৮০৬ কোটি টাকার অর্থায়ন করবে।

আর পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির অধীন নতুন পাঁচটি সঞ্চালন লাইন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদেশী উত্স থেকে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ৯২ কোটি ১০ লাখ ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব প্রকল্পে সরকার ৩ হাজার ৭১২ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে।

জানা গেছে, বর্তমানে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানির অধীনে ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা মূল্যের তিনটি বিদ্যুত্ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান। এক্ষেত্রে অর্থায়ন করছে সরকার, এডিবি ও আইডিবি। ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানির অধীনে ৩৩৫ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনের কাজও এগিয়ে চলছে। এতে বিশ্বব্যাংক ৮০ শতাংশ অর্থ জোগান দিচ্ছে। বাকি অর্থ দিচ্ছে সরকার।

এছাড়া ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির অধীনে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার চারটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এর মধ্যে ১১ লাখ প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কাজ রয়েছে। কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির অধীনে মাতারবাড়ী ও বিপিডিবি-আরপিসিএল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির অধীনে ১৫০ মেগাওয়াটের ডুয়াল ফুয়েল বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে।

একীভূতির সমীক্ষায় ব্যয় হবে ১১ লাখ টাকা

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোবাইল অপারেটর রবি ও এয়ারটেলের একীভূত হওয়ার প্রভাব বিশ্লেষণে সমীক্ষার জন্য ১১ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব পেয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। বিটিআরসি সচিব মো. সরওয়ার আলম গণমাধ্যমকে জানান, টেলিযোগাযোগ খাতে প্রথম বড় দুটি কোম্পানির একীভূত হওয়ার সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণে সমীক্ষা চালাতে দুটি বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুরোধপত্র পাঠানোর পর সমপ্রতি তারা এ প্রস্তাব পাঠিয়েছে। খবর সংবাদের।
সংস্থাটির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সসিং বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, কারিগরি প্রভাব বিশ্লেষণে সমীক্ষার জন্য আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং আর্থিক ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রভাব বিশ্লেষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা শিক্ষা অনুষদকে প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি বলেন, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর এ বি এম সিদ্দিক হোসেন সমীক্ষার জন্য ৬ লাখ টাকার প্রস্তাব দিয়ে চিঠি দিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম মাহফুজুর রহমান চিঠিতে সমীক্ষার জন্য ৫ লাখ টাকার আর্থিক প্রস্তাব দিয়েছেন। দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে সমীক্ষার এ প্রস্তাবে সম্মত হতে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি।
প্রস্তাবিত একীভূতকরণের সমীক্ষা প্রতিবেদনে আটটি প্রধান বিষয়বস্তু ও উদ্দেশ্য থাকবে বলে জানিয়েছিল বিটিআরসি। এর মধ্যে রয়েছে- একীভূত হওয়ার আর্থ-সামাজিক প্রভাব বিশ্লেষণ, কোনো প্রকার বিরূপ প্রভাব থাকলে তা থেকে উত্তরণের পদ্ধতি ও কৌশল নির্ধারণ, একীভূত হওয়ার কারণে কর্মসংস্থানের ওপর প্রভাব, বিশেষ করে কমর্রত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি সঙ্কোচন বা সমপ্রসারণের সম্ভবনা এবং একীভূত কোম্পানিতে যোগদানে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য স্বেচ্ছা অবসর স্কিমের (ভিআরএস) মতো বিষয়।
উল্লেখ্য, একীভূত হওয়ার পর ৭৫ শতাংশ শেয়ার থাকবে মালয়েশিয়াভিত্তিক আজিয়াটা গ্রুপ ও এনটিটি ডকোমার কাছে; বাকি শেয়ার থাকবে ভারতি এয়ারটেলের কাছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর ব্যবসা এক করার আলোচনা শুরু করে বাংলাদেশের এই দুই মোবাইল ফোন অপারেটর

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিএনআইসি) আইপিও অনুমোদন

বিএনআইসির আইপিও অনুমোদন

JAN2016
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিএনআইসি) লিমিটেড প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমতি পেয়েছে। কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে।
সোমবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬৪তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।
গত বছর জুনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) আপত্তির মুখে কোম্পানিটির আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিত করেছিল বিএসইসি।
১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির আইপিওর চাঁদা গ্রহণ শুরু হবে। চলবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
বিএসইসি অনুমোদিত প্রসপেক্টাস অনুসারে, অভিহিত মূল্যে এক কোটি ৭৭ লাখ শেয়ার ছেড়ে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স। এর পর তাদের পরিশোধিত মূলধন ৪৪ কোটি ২৫ লাখ টাকায় উন্নীত হবে।
২০১৪ সালের ৩১ জুলাই শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্যান্য আয় ব্যতীত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ছিল এক টাকা সাত পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ১৫ টাকা ৬৫ পয়সা।
আইপিওর অর্থের একটি অংশ মেয়াদি আমানত হিসেবে জমা রাখবে কোম্পানি। একটি অংশ বিনিয়োগ করা হবে ট্রেজারি বন্ডে। এ ছাড়া কিছু অর্থ আইপিওর কাজে ব্যয় হবে।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফিন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

তিতাস-পল্লী বিদুতের সঙ্গে চুক্তি

তিতাস-পল্লী বিদুতের সঙ্গে চুক্তি

বৃহস্পতিবার বেজার সভা কক্ষে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পৃথক চুক্তি দুটি স্বাক্ষরিত হয়।

তিতাস-পল্লী বিদুতের সঙ্গে চুক্তি

তিতাস-পল্লী বিদুতের সঙ্গে চুক্তি

বৃহস্পতিবার বেজার সভা কক্ষে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পৃথক চুক্তি দুটি স্বাক্ষরিত হয়।

৫ কোটি ডলার ঋণ পেল ইউনাইটেড আশুগঞ্জ

৫ কোটি ডলার ঋণ পেল ইউনাইটেড আশুগঞ্জ

Atiur-SME
-ফাইল ছবি
স্টাফ রিপোর্টার : আশুগঞ্জে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনা করছে ইউনাইটেড গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড আশুগঞ্জ এনার্জি লিমিটেড। এই কাজের জন্য বিশ্বব্যাংক থেকে ৫ কোটি ৮৫ লাখ ডলার ঋণ পেয়েছে ইউনাইটেড আশুগঞ্জ এনার্জি লিমিটেড। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত আইপিএফএফ প্রকল্পের আওতায় এই ঋণ দেওয়া হয়।
বিশ্বব্যাংক থেকে ইউনাইটেড আশুগঞ্জ এনার্জি লিমিটেডে ঋণ প্রদান উপলক্ষে বুধবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
তিনি বলেন, বড় ধরনের কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে দীর্ঘ মেয়াদী ঋণের প্রয়োজন। যা ১০ বছরের বেশি মেয়াদী হওয়া উচিত। আর এই জাতীয় প্রকল্পগুলো পিপিপির (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ) মাধ্যমে বাস্তবায়ন ভালো হয়। এমন কাজ সরকার কিংবা বেসরকারি খাত এককভাবে করতে পারে না। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত পিপিপির মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়নসহ বিমানবন্দর নির্মাণ করেছে।
যদি পিপিপি প্রকল্পের আওতায় নেওয়া ঋণের স্বচ্ছ বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে কোনো সমস্যা থাকার কথা নয়। এই প্রকল্পের বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা অনেক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন গভর্নর।
দেশে এখন লাখ লাখ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রয়েছে। তাদের বিদ্যুৎ দিতে এমন প্রকল্পের বাস্তবায়ন দরকার বলে মনে করেন আতিউর রহমান।
অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড আশুগঞ্জ এনার্জি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাঈন উদ্দিন হাসান রাশিদ বলেন, প্রায় দুই দশক ধরে ইউনাইটেড গ্রুপ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে অবদান রেখে চলেছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন করেছে গ্রুপটি। সম্প্রতি আশুগঞ্জ এনার্জি পাওয়ার প্লান্ট করতে যাচ্ছে।
সরকারের সঙ্গে থেকে দেশের বিদ্যুৎ খাতে অবদান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
জানা গেছে, বিশ্বব্যাংক থেকে নেওয়া এই ঋণের মেয়াদ হবে ১২ বছর। আর এই ঋণের সুদ হার হবে আড়াই শতাংশের নিচে। গত বছর জুনের শেষের দিকে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই হয় বলে জানা যায়।
প্রকল্পটির লিড অ্যারেঞ্জার ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড। এজেন্ট হিসেবে রয়েছে মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড ও ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. আহমদ কায়কাউস, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ফাইন্যান্সিয়াল স্পেশালিস্ট এ.কে.এম. আব্দুল্লাহ, প্রকল্প পরিচালক আহমেদ জামাল, ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী ও মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিস এ. খান প্রমুখ।

BD Investment and Policy Summit begins Sunday

BD Investment and Policy Summit begins Sunday

The two-day Bangladesh Investment and Policy Summit 2016 begins in Dhaka on Sunday to showcase private sector investment opportunities in the country's key sectors.
 
Prime Minister Sheikh Hasina will formally inaugurate the Summit at Hotel Radisson Blu Water Garden on Sunday morning.
 
Local and foreign Investors, experts of foreign direct investment and industrial and international trade and policymakers and business entrepreneurs and government officials will join the Summit.
 
According to officials at the Board of Investment (BoI), the main objectives of the summit is to highlight the latest policy developments for private sector growth in Bangladesh to showcase private sector investment opportunities and demonstrate opportunities for potential value addition to those sectors for the country's sustained economic growth.
 
The BoI, Business Initiative Leading Development (BUILD) and Prime Minister's Office (PMO) are jointly organising the Summit.
 
Finance Minister AMA Muhith, Industries Minister Amir Hossain Amu, Chief Minister of Meghalaya Dr Mukul Sangma, Chairman and Managing Director of Reliance Industries Limited, India Anil Dhirubhai Ambani, South Asia Region CEO of Axiata Limited Dr Hans Wijayasuriya, Chairman of Adani Group Gautam Adani, Director of the International Finance Corporation of the World Bank Group Sujoy Bose and FBCCI President Abdul Matlub Ahmed are expected to speak at the inaugural session of the Summit.
 
The Support Partners of the Summit are Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA), Public Private Partnership Authority Bangladesh, International Finance Corporation (IFC), World Bank Group, Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI), Dhaka Chamber of Commerce & Industry (DCCI), Metropolitan Chamber of Commerce & Industry, Dhaka (MCCI), Chittagong Chamber of Commerce & Industry (CCCI) and University of Dhaka.
 
The inaugural session will also have presentation on the Best Reform Award for the most deserving reform.
 
On the first day, the summit will focus on investment opportunities with both plenary and parallel business sessions, while on policies for investments on the second day, according to UNB. - Idrak

Wednesday, January 20, 2016

DSE NEWS ABOUT UNITED POWER GENERATION

UPGDCLNews Title:UPGDCL: Regarding publication of a news in daily online portal of ArthosuchakNews:The Company has informed that "The news published in the online portal of the daily Arthosuchak on 19th January, 2016 regarding the loan sanctioning by the World Bank amounting to Tk. 468.00 crore to the company is not correct. Therefore the company is requesting the daily Arthosuchak to publish a corrigendum immediately". The company also requests all concerns to contact the respective authority before publishing any news about the company.

DSE এর ২ প্রতিষ্ঠানকে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা

২ প্রতিষ্ঠানকে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা

JAN201620
সিকিউটিরিজ আইন ভঙ্গের দায়ে শ্যামল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টকে ১৫ লাখ ও সাদ সিকিউরিটিজ লি. কোম্পানিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। বিএসইসির ৫৬৪তম সভায় এ জরিমানা করার সিদ্ধান্ত গ্রহীত হয়। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, ৫ লাখ টাকার ওপরে লেনদেনের মাধ্যমে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন রুলস ১৯৮৭-এর রুলস ৮(১) (সিসি) (!)-এর লঙ্ঘন। উল্লিখিত সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করার কারণে শ্যামল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এদিকে আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের শেয়ারমূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণ হিসেবে সাদ সিকিউরিটিজ লি. কিছু সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করার প্রমাণ পাওয়া যায়। গ্রাহকের কাছ থেকে সাদ সিকিউরিটিজ লিমিটেড প্রতিনিয়ত ৫ লাখ টাকার ওপরে নগদ লেনদেন করে এবং গ্রাহকের হিসাবে শেয়ার ক্রয় করা সত্ত্বেও লেজার এ যথাযথভাবে প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়। ওই ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে সাদ সিকিউরিটিজ নিম্নলিখিত সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করেছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭-এর সেকশন (৮) লঙ্ঘন করেছে। ওপরে উল্লিখিত সিকিউরিটিজ আইনসমূহ ভঙ্গের কারণে সাদ সিকিউরিটিজ কোম্পানিটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

উৎপাদন বাড়াচ্ছে ইরান, আরো কমতে পারে তেলের দাম

উৎপাদন বাড়াচ্ছে ইরান, আরো কমতে পারে তেলের দাম

আলজাজিরা : পরমাণু কার্যক্রম নিয়ে সমঝোতার পর তেল রপ্তানিসহ বিভিন্ন খাতে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো। এ সুযোগে বিপুল পরিমাণ তেল উৎপাদনের পথে এগোতে পারছে ইরান।
তেলের বাজারে নিজেদের অবস্থান চাঙ্গা করতে দেশটি দৈনিক ৫০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এমনটা বাস্তব হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরো কমতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানের উপ-তেলমন্ত্রী রোকনোদ্দিন জাভেদির বরাত দিয়ে আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  তেলের বাজারে নিজেদের অংশীদারিত্ব ফিরে পেতে চায় ইরান। স্থানীয় সময় সোমবার তাঁর এ মন্তব্য মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে পোস্ট হয়েছে।
মন্ত্রীর কথা অনুযায়ী, তেলের বাজার ফিরে পেতে ইরান তার সামর্থ্যের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করবে। আর সেটা সম্ভব হলে ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেলের বর্তমান বাজারদর ২৮ ডলার বা দুই হাজার ২৪০ টাকা থেকেও কমে যেতে পারে।
২০১২ সালে বিশ্ব পরাশক্তিগুলোর (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানি) অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে ইরান দৈনিক ২৩ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করত। নিষেধাজ্ঞা কেটে যাওয়ার পর দেশটি আবার সে পথেই হাঁটতে চাইবে। আর এতে করে গত ১৩ বছরের মধ্যে তেলের সর্বনিম্ন দরেও পতন হতে পারে।
এ বিষয়ে জ্বালানি বিশ্লেষক রিচার্ড ম্যালিনসন আলজাজিরাকে বলেন, ইরান কত দ্রুত তেল উৎপাদন বাড়াতে পারে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। জাতিসংঘের পরমাণু সংস্থা আইএইএ গত শনিবার ঘোষণা দেয়, গত বছর করা বিশ্বশক্তিগুলোর সঙ্গে চুক্তির শর্ত মেনে নিয়েছে ইরান। আর এ ঘোষণার পরই ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় বিশ্বশক্তিগুলো।

পুঁজিবাজারে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন

পুঁজিবাজারে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন

dse
দেশের দুই বাজারেই আজ বুধবার সূচকের নিম্নমুখী ধারায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এইদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৬৬৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি টাকার শেয়ার। এদিন উভয় বাজারেই লেনদেন কমেছে আগের দিনের তুলনায়। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, আজ ডিএসইতে ৬৬৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ৫০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বা ৭ দশমিক ০৪ শতাংশ কম। আগের দিন এ বাজারে লেনদেন হয়েছিল ৭২০ কোটি টাকার শেয়ার।
বুধবার ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৯৯টির, কমেছে ১৯৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির শেয়ার দর।
ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ২৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৬৬৯ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১২২ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৫৫ পয়েন্টে।
টাকার পরিমাণে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হচ্ছে- ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, বেক্সিমকো ফার্মা, অ্যাক্টিভ ফাইন, এমারেল্ড অয়েল, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার ফার্মা, আইটিসি, বিডি থাই, রিজেন্ট টেক্সটাইলস মিলস এবং জেনারেশন নেক্সড ফ্যাশনস।
এদিন সিএসই সার্বিক সূচক ৯৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২৬৫ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৫টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৮টির, কমেছে ১৬১টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির।

ইবনে সিনা ফার্মায় অতিরিক্ত জনবল

মুনাফা কমিয়ে দেখানোর অভিযোগ

ইবনে সিনা ফার্মায় অতিরিক্ত জনবল

আলতাফ মাসুদ | ২০১৬-০১-২০ ইং
      
   Share   
ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডে প্রতিযোগীদের তুলনায় বেশি জনবল রয়েছে। কর্মী সংখ্যার বিপরীতে কোম্পানিটি যে পরিমাণ বার্ষিক টার্নওভার দেখায়, তা একই খাতের অন্য কোম্পানির তুলনায় অনেক কম। কোম্পানিটির বিরুদ্ধে নিট মুনাফা কমিয়ে দেখানোরও অভিযোগ উঠছে। কোম্পানির টার্নওভারের বিপরীতে নিট মুনাফা ৪ শতাংশের কাছাকাছি, যেখানে ওষুধ খাতের অধিকাংশ কোম্পানিরই নিট মুনাফা মোট বিক্রির ১০ থেকে ২৬ শতাংশের সমান। দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এ চিত্র উঠে আসে।
২০১৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইবনে সিনা ফার্মায় মোট কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ৩ হাজার ৬৪৯। এর মধ্যে ফার্মা ডিভিশনে ২ হাজার ৯৩১ ও ন্যাচারাল মেডিসিন ডিভিশনে ৭১৮ জন কর্মী রয়েছে তাদের। ২০১৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির বিক্রির পরিমাণ ২৬৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, যা আগের বছরের চেয়ে ২১ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি। তবে এর চেয়ে প্রায় ৬০০ জনবল কম নিয়ে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক টার্নওভার ছিল পাঁচ গুণ বেশি। আর একই সময়ে ৬ হাজার ৭১০ জন কর্মী নিয়ে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক টার্নওভার দাঁড়ায় ৩ হাজার ২৮ কোটি টাকা, যা ইবনে সিনা ফার্মার বার্ষিক টার্নওভারের চেয়ে প্রায় ১২ গুণ বেশি।
এদিকে ওষুধ খাতের তুলনামূলক ছোট প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো পর্যালোচনা করলেও ইবনে সিনা ফার্মায় তুলনামূলক অতিরিক্ত জনবল দেখা যায়। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আরেক ওষুধ কোম্পানি সেন্ট্রাল ফার্মার মোট জনবল ৩৫২ জন। এর বিপরীতে ২০১৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির টার্নওভার ছিল ৬৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা।
২০১৪ হিসাব বছরে ইবনে সিনা ফার্মা ম্যানুফ্যাকচারিং, প্রশাসন, বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ মোট ৬৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয় করেছে, যা কোম্পানির মোট বিক্রির ২৫ শতাংশের সমান। এ কোম্পানির মোট জনবলের মধ্যে ১৩৫ জন ছাড়া বাকি সবারই ন্যূনতম বেতন ৩৬ হাজার টাকা। ২০১৪ সালে বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের জনবলের পেছনে বেতন-ভাতা বাবদ কোম্পানিটির ব্যয় হয়েছে ৪৯ কোটি ১২ লাখ ২৮ হাজার টাকা, যা বার্ষিক মোট বিক্রির ১৮ শতাংশের বেশি। এর বাইরে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত খরচ ১১ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে।
অতিরিক্ত জনবল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইবনে সিনা ফার্মার কোম্পানি সচিব মো. শহিদ ফারুকী বণিক বার্তাকে বলেন, প্রয়োজনের চেয়ে কোম্পানিতে জনবল বেশি নেই। একই খাতের অন্য কোম্পানির জনবল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা বাজারের নেতৃস্থানীয় কোম্পানি। তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও আমাদের চেয়ে বেশি। তাই সেসব কোম্পানির সঙ্গে আমাদের তুলনা চলে না।
আর কোম্পানির প্রধান হিসাব কর্মকর্তা (সিএফও) জসিমউদ্দিন সরকার বলেন, আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লিখিত জনবল বিষয়ে কিছুটা তথ্যগত বিভ্রাট রয়েছে। সেখানে ভুলবশত অস্থায়ী শ্রমিকদের মোট জনবলের আওতায় দেখানো হয়েছে।
এদিকে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা ইবনে সিনা ফার্মার বিরুদ্ধে নিট মুনাফা কমিয়ে দেখানোর অভিযোগ করছেন। তারা বলছেন, একই খাতের অন্যান্য কোম্পানির তুলনায় ইবনে সিনা ফার্মার বিক্রির বিপরীতে নিট মুনাফা অনেক কম।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১০ সাল থেকে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা কখনই মোট বিক্রির ৫ শতাংশ অতিক্রম করেনি। ২০১০ সালে কোম্পানির নিট মুনাফার অনুপাত ছিল ৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ, যা ২০১৪ সালে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে উন্নীত হয়। চলতি তিন প্রন্তিকেও নিট মুনাফার অনুপাত ৪ শতাংশের নিচে রয়েছে। তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত ইবনে সিনা ফার্মার টার্নওভার ছিল ২২২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এ সময় কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৬ লাখ টাকা। এ হিসাবে নিট মুনাফার অনুপাত দাঁড়ায় মাত্র ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ।
অথচ এ খাতের তুলনামূলক ছোট কোম্পানিগুলোর টার্নওভারের বিপরীতে নিট মুনাফা অনেক বেশি রয়েছে। চলতি প্রথম প্রান্তিকে সেন্ট্রাল ফার্মার টার্নওভারের বিপরীতে নিট মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৬১ শতাংশ। ফার্মা এইডসের নিট মুনাফার অনুপাত ১৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর ওষুধের বাজারে নেতৃস্থানীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে হিসাব করলে ২০১৫ হিসাব বছরে স্কয়ার ফার্মার নিট মুনাফার অনুপাত প্রায় ১৯ শতাংশ, যা চলতি অর্ধবার্ষিকীতে ২১ শতাংশ ছাড়িয়েছে। একইভাবে চলতি অর্ধবার্ষিকীতে রেনাটার টার্নওভারের বিপরীতে নিট মুনাফা ১৬ দশমিক ২৪ শতাংশ ও বেক্সিমকো ফার্মার তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত নিট মুনাফা প্রায় ১৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া চলতি তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত টার্নওভারের বিপরীতে ওরিয়ন ফার্মার নিট মুনাফার অনুপাত ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ।
নিট মুনাফা কম হওয়া প্রসঙ্গে ইবনে সিনার সিএফও জসিমউদ্দিন সরকার বলেন, স্কয়ার, রেনাটার মতো কোম্পানিগুলো মার্কেট লিডার। তাদের প্রডাক্ট রেঞ্জ অনেক বেশি। বিক্রি বেশি হওয়ার কারণে তাদের খরচও তুলনামূলক কম। এ কারণে সেসব কোম্পানির নিট মুনাফার অনুপাত বেশি। তবে আমরাও সম্প্রসারণে যাচ্ছি, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। আশা করছি, অদূর ভবিষ্যতে আমাদের মুনাফাও বাড়বে।
ইবনে সিনা ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কোম্পানির ৪৭ দশমিক ৩২ শতাংশ মালিকানা রয়েছে ইবনে সিনা ট্রাস্টের হাতে। মোট ১৫ একর জমির ওপর এ কোম্পানির কারখানা। ১৯৮৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইবনে সিনা ফার্মার বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ২২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

গুপ্ত খালে জ্বালানি তেলের গুপ্ত ব্যবসা

গুপ্ত খালে জ্বালানি তেলের গুপ্ত ব্যবসা


      
   Share  
গুপ্ত খালে জ্বালানি তেলের গুপ্ত ব্যবসা
পতেঙ্গার গুপ্ত খাল। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) জ্বালানি তেল খালাসের একমাত্র স্থল। খালাসের আগে পরিমাপের (গেজিং) কাজ সম্পন্ন হয় গুপ্ত খালে বিপিসির তিনটি জেটিতে। যদিও তেল পরিমাপের স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি পুরোপুরি অনুপস্থিত। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও নজরদারিও সেভাবে নেই। অনেকটা অরক্ষিত এসব জেটি থেকেই সনাতন পদ্ধতিতে প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার টন জ্বালানি তেল বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছে বিপিসিকে। এসবের আড়ালে জ্বালানি তেল নিয়ে চলছে এক ধরনের গুপ্ত ব্যবসা। পরিমাণে কম দিলেও বোঝার উপায় থাকছে না।
১৩ জানুয়ারি দুপুরে গুপ্ত খাল এলাকায় বিপিসির একটি জেটিতে গিয়ে চোখে পড়ে জ্বালানি তেল পরিমাপ ও খালাসের রহস্যময় দৃশ্য। দেখা যায়, একটি মাছ ধরার ট্রলারে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, যার রিডিং উঠছে স্বয়ংক্রিয় মিটারে। পাশেই অন্য একটি অয়েল ট্যাংকার থেকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে মেঘনা পেট্রোলিয়ামকে। কিন্তু তেল পরিমাপের কোনো মিটার নেই। বিপিসির কর্মকর্তারা সার্ভেয়ারের মাধ্যমে ঘণ্টাখানেক আগেই সনাতন পদ্ধতিতে পরিমাপ শেষ করে গেছেন।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, পদ্ধতিগত ত্রুটির সুযোগ নিয়ে বিপিসিকে কম তেল সরবরাহ করছেন ট্যাংকার মালিকরা। স্থানীয় একটি চক্র ট্যাংকার মালিকদের কাছ থেকে এ তেল কিনে বিভিন্ন ট্রলার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এ জালিয়াতিতে ট্রলার মালিকদের পাশাপাশি সম্পৃক্ত রয়েছেন বিপিসির কিছু কর্মকর্তাও।
চক্রটি খুবই শক্তিশালী বলে জানান বিপিসির সাবেক এক পরিচালক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, সব পর্যায়ের সঙ্গে সখ্য রেখে বছরের পর বছর এ ব্যবসা করে আসছে চক্রটি। বহির্নোঙরের বিশাল জলসীমায় রয়েছে তাদের একক আধিপত্য।
হিসাবমতে, চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে প্রতিটি ট্যাংকারে জ্বালানি তেল পরিবহন হয় ২-৩ হাজার টন। প্রতিদিন গড়ে চার-পাঁচটি ট্যাংকার বন্দরের জেটিতে আসে। পরিমাপের সনাতনী পদ্ধতিতে ট্যাংকারপ্রতি ৫ টন তেল চুরি গেলেও তা ধরা কঠিন। অথচ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সবকিছু সূক্ষ্মভাবে পরিমাপ করা যায়।
বিপিসির একটি সূত্র জানায়, সনাতনী পদ্ধতিতে পরিমাপের কারণে প্রতিদিন ২০-২৫ টন তেল চুরি ও অপচয় হয় বিপিসির। এতে বছরে ৬-৭ হাজার টনের বেশি জ্বালানি তেল হারায় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা।
সরেজমিন পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বছরে ৩০ হাজার টন ক্ষমতাসম্পন্ন ১৫০-১৬০টি অয়েল ট্যাংকার পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বহন করে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসে। বড় ট্যাংকার থেকে অটোগেজিং পদ্ধতিতে তা ছোট ট্যাংকারে বুঝিয়ে দেয়া হয়। এর পর তা আনা হয় বিপিসির জেটিতে। ছোট ট্যাংকার থেকে গজ ও ফিতা দিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে পরিমাপ করে বিপিসিকে বুঝিয়ে দেয়া হয় এ তেল। এখানেই ঘটে সবচেয়ে বড় জালিয়াতি। যদিও বিশ্বে এ পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল পরিমাপের রেওয়াজ প্রায় বিলুপ্তির পথে।
এছাড়া জ্বালানি তেল পরিবহনকারী এসব অয়েল ট্যাংকারের বড় অংশই মেয়াদোত্তীর্ণ। ২০-৩০ বছরের পুরনো এসব জাহাজ থেকে পরিমাপে হেরফের দেখিয়ে সহজেই জ্বালানি তেল চুরি করা সম্ভব।
ট্যাংকার নিয়ে এ ধরনের অভিযোগের কথা স্বীকার করলেও এ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ট্যাংকার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম জামান রোমেল। তিনি বলেন, এ ব্যবসায় নতুন অনেক ট্যাংকার রয়েছে, যা অত্যন্ত আধুনিক। চুরির কোনো সুযোগ নেই সেখানে।
এদিকে সার্ভেয়ার দিয়ে বিপিসির তেল পরিমাপ করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কোনো সার্ভেয়ার নেই। তালিকাভুক্ত চারটি সার্ভে প্রতিষ্ঠান এনএ সার্ভে, এবি সার্ভে, ইস্টার্ন সার্ভে ও ট্রাইস্টার সার্ভে দিয়ে জ্বালানি তেল পরিমাপ করে বিপিসি। এ চার প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এসজিএস ও আইটিএস কোম্পানির মাধ্যমেও তেল পরিমাপ করে থাকে তারা।
গত পাঁচ বছরে বিপিসির হাল ধরেছেন চারজন চেয়ারম্যান। তার পরও বিপিসিকে অটোমেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়নি। অথচ গুপ্ত খালের টার্মিনাল শতভাগ অটোমেশনের আওতায় আনতে ১০০ কোটি টাকার বেশি প্রয়োজন হবে না বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এক পরিচালক।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বিপিসির চেয়ারম্যান এ এম বদরুদ্দোজা বণিক বার্তাকে বলেন, বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে রাডার অটোগেজিং পদ্ধতিতে তেল পরিমাপ করা হয়। এর পর ছোট ট্যাংকারে করে তা বন্দরে আনা হয়। সেখানে সনাতনী পদ্ধতিতে গেজিং করা হয়।
তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের টার্মিনাল পুরোপুরি অটোমেশন করা গেলে হিসাব-নিকাশ সহজ হতো। খরচও কমে যেত। কিন্তু শুধু অটোমেশন করলেই হবে না। তা চালানোর মতো পর্যাপ্ত জনবলও লাগবে। বিপিসি তীব্র জনবল সংকটে রয়েছে। সবার আগে প্রয়োজন বিপিসির নতুন অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী জনবল নিয়োগ দেয়া।

Tuesday, January 19, 2016



poll
ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার উদ্যোগকে সমর্থন করেন কি?
ভোট দিয়েছেন ১৮৬৯ জন 
SMS-এ ভোট করতে টাইপ করুন AM(স্পেস) হ্যাঁ=Y, না=N, মন্তব্য নেই =C লিখে পাঠিয়ে দিন ২২২১ নম্বরে 
*** বাংলাদেশের জন্য *** চার্জ প্রযোজ্য
Prothoma
abc radio
Prothom Alo is the highest circulated and most read Bangladeshi newspaper. According to National Media Survey 2014, conducted by MRB Bangladesh, more than 4.3 million people read the print edition of Prothom Alo every day. The online portal of Prothom Alo is the most visited Bangladeshi and Bengali website of the world.